যে সমস্যা থেকে শুরু
দিনাজপুরের একটা ফার্মেসিতে বসে আমরা দেখেছিলাম — কাউন্টারে ভিড় বাড়লে বিল লিখতে দেরি হয়, খাতায় লেখা স্টক শেলফের বাস্তব স্টকের সাথে মেলে না, আর মাস শেষে VAT রিপোর্ট বানাতে হিসাবরক্ষকের পুরো দিন চলে যায়। এই সমস্যাগুলো কোনো একটা দোকানের একার সমস্যা না — বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফার্মেসি, সুপারশপ আর রিটেইল দোকানের প্রতিদিনের বাস্তবতা।
বাজারে থাকা সফটওয়্যারগুলো হয় বিদেশি ব্যবসার জন্য তৈরি, নয়তো এত জটিল যে কাউন্টার-স্টাফকে শেখাতেই সপ্তাহ লেগে যায়। আমরা ঠিক করলাম — এমন একটা সিস্টেম বানাব যা বাংলায় চলে, বাংলাদেশের VAT নিয়ম মেনে চলে, আর যেকোনো কাউন্টার-স্টাফ একদিনেই শিখে ফেলতে পারবে।
আমরা যা বিশ্বাস করি
জটিলতা নয়, স্বচ্ছতা
যে সফটওয়্যার শিখতে ট্রেনিং সেন্টারে যেতে হয়, সেটা ছোট ব্যবসার জন্য না। প্রতিটা স্ক্রিন এমনভাবে বানানো যাতে প্রথম দিনেই কাউন্টার চালানো যায়।
বাংলাদেশের জন্য তৈরি
VAT ফরম্যাট, বারকোড অভ্যাস, জেনেরিক ওষুধের নাম, বাংলা ভাষা — সবকিছু এখানকার বাস্তবতা মাথায় রেখে ডিজাইন করা।
বিক্রি কখনো থামবে না
কাউন্টারে ক্রেতা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সিস্টেম ডাউন থাকা মানা যায় না — তাই আপটাইম আর ডেটা ব্যাকআপকে আমরা সবচেয়ে গুরুত্ব দিই।
আজকের HishabX
আজ ফার্মেসি, সুপারশপ, রিটেইল, হোলসেল আর রেস্তোরাঁ মিলিয়ে ৫০০-এর বেশি ব্যবসা HishabX দিয়ে প্রতিদিনের বিলিং, ইনভেন্টরি আর হিসাব সামলাচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ২,৮০০-এর বেশি বিল প্রিন্ট হয় আমাদের সিস্টেম থেকে, আর প্ল্যাটফর্ম চালু থাকে গত ১২ মাস ধরে ৯৯.৯% আপটাইমে। আমরা এখনো একটাই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি — দিনের শেষে আপনার হিসাব যেন এক টাকাও না মেলে সমস্যা, বরং নিশ্চিন্তে মিলে যায়।
আপনার ব্যবসাতেও দেখুন HishabX কীভাবে কাজ করে
৩ দিনের ফ্রি ট্রায়াল — কোনো কার্ড লাগবে না।